Skip to main content

শারীরিক দুর্বলতা দূর করার সহজ উপায় || শারীরিক দুর্বলতা কাটানোর উপায় || শরীর দুর্বল হলে করণীয়||


শারীরিক দুর্বলতা দূর করার সহজ উপায় || শারীরিক দুর্বলতা কাটানোর উপায় || শরীর দুর্বল হলে করণীয়||

সামান্য শারীরিক দুর্বলতা আমরা চাইলেই ঘরে বসে ঠিক করতে পারি। এ জন্য প্রয়োজন কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলা। যা আপনাকে কিছুটা হলেও সুস্থ করে তুলবে। চলুন জেনে নিই শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে ঘরোয়া উপায়।

১। খুব তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা: সকাল ৫ টা থেকে ৬ টার মধ্যে বিছানা ছাড়ার অভ্যাস করতে হবে। এতে দিনটা যেমনি বড় মনে হবে তেমনি শরীর ও মন ভালো থাকে। বেশি সময় বিছানায় থাকাটাও শারীরিক দুর্বলতার কারণ। দীর্ঘসময় বিছানায় থাকলে পেটের খাবার হজম হয়ে যায় অনেক আগেই। খাবারের অভাবে দেহ দুর্বল হতে থাকে।

পর্যাপ্ত পানি পান: মনে রাখতে হবে পানির ওপর নাম জীবন।আমাদের দেহ পানিশূন্য হলে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ি। তাই সুস্থ থাকতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিৎ। দেহ হাইড্রাইট থাকলে শারীরিক দুর্বলতার সমস্যা কেটে যায় একেবীবন। এছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়া : কাজের ফাঁকে কিছুটা সময় বিশ্রাম নেয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। অন্তত প্রতি দুই ঘণ্টা পর পাঁচ মিনিট করে হাঁটতে পারেন। এতে দেহের কোষগুলোকে তরতাজা করে তোলে। কাজের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া শক্তি আবারো ফিরে আসে। আমাদের শারীরিক দুর্বলতাও কেটে যায়।

পর্যাপ্ত ব্যায়াম করা : সুস্থ থাকতে প্রতিদিন সকালে হালকা ব্যায়াম করতে পারেন। হালকা ব্যায়ামে দেহের সব জায়গায় রক্ত চলাচল ঠিকভাবে বজায় থাকবে। আপনিও ফিরে পাবেন দেহের হারানো শক্তি। সেজন্য প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে পনের মিনিট হাঁটতে পারেন।

শক্তিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা: যখনই শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক ভাবে শক্তিসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিৎ। যেমন ডিম সেদ্ধ, কলা, গরম দুধ ইত্যাদি। বাদাম, কমলার রস এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলেও উপকার পাবেন। তবে শারীরিকভাবে সুস্থ সবল থাকতে খাবার তালিকায় নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার রাখতে হবে।

ইশতগরম পানীয় পান করা : চা বা কফির ক্যাফেইন আমাদের শারীরিকভাবে দুর্বল করে তোলে। এধরনের গরম পানীয় তাৎক্ষণিকভাবে দেহে চাঙা ভাব এলেও দেহ পানিশূন্য করে ফেলে। আমাদের দেহে পানির চাহিদা বৃদ্ধি পায় এবং দুর্বলতা বেড়ে যায়। তাই শারীরিক দুর্বলতা দূর করতে চা বা কফি পানের মাত্রা কমিয়ে দিন।

বিনোদন করুন: মনমরা হয়ে থাকলে বা বেশি চিন্তা করলে শারীরিক দুর্বলতা দেখা দেয়। মনের মধ্যে ফুর্তি না থাকলে শরীরের ক্লান্তি বেড়ে চলে। অপরদিকে বিনোদনের সঙ্গে থাকলে আপনি মনে যেমন আনন্দ পাবেন তেমনি ফিরে পাবেন শরীরের শক্তি। তাই অতিরিক্ত চিন্তা না করে পরিবার পরিজনের সঙ্গে থাকুন। গান শুনুন, বা প্রিয় কোনো মুভি দেখে আনন্দের সঙ্গে সময় পার করুন। পরিমান মত ঘুম ঘুমের পরিমাণ কম হলে শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। কারণ ঘুমের মাধ্যমে আমাদের দেহের ও মস্তিষ্কের কোষ নতুন করে শক্তি অর্জন করে। যখন ঘুম কম হয় তখন মাথা ঘোরানো এবং দুর্বলতা অনুভব করার পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই পর্যাপ্ত ঘুম দূর করতে পারবে শারীরিক দুর্বলতা। লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Our Youtube Channel Name & Link:

Comments

Popular posts from this blog

বাতের ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা ||#বাতের ব্যথা দূর করার উপায় || #বাতের ব্যথা থেকে মুক্তির উপায়

বাতের ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা ||#বাতের ব্যথা দূর করার উপায় || #বাতের ব্যথা থেকে মুক্তির উপায় প্রায় প্রত্যেক বাড়ির বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে বাতের ব্যাথার সমস্যা রয়েছে। উঠতে গেলে, বসতে গেলে বারবার যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছেন তাঁরা। বাতের সমস্যা অনেক কারণে হতে পারে। অনিয়মিত জীবনযাপন, বংশগত, অন্য বিভিন্ন রোগের প্রভাবে, এছাড়া আরও অনেক কারণে বাতের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শুধু বেশি বয়সের মানুষই নন, কমবয়সীরাও বাতের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে। অনেক ওষুধ খেয়েও কিছুতেই বাতের ব্যাথা থেকে মুক্তি পান না বহু মানুষ। কিন্তু এমন কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে, যাতে বাতের কষ্ট থেকে কিছুটা রেহাই পেতে পারেন। জেনে নিন উপায়গুলো: ১. হলুদ স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। ব্যাথা, যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে রোজকার খাবারে হলুদের ব্যবহার করুন। ২. বাতের ব্যাথায় কষ্ট পেলেও অস্থির না হয়ে মনকে শান্ত রাখতে হবে। উত্তেজিত হলে কষ্ট বাড়ে। তাই মন এবং মস্তিষ্ককে শান্ত রাখতে যোগাসন অভ্যাস করুন। ৩. বাতের ব্যাথা কমাতে প্রচুর পরিমাণে তাজা শাক-সব্জি, ফল খাওয়া খুব জরুরি। মিহি চিনি, শস্যদানা, রিফাইন্ড অয়েল এবং ট্রান্স ফ্যাট খাওয়া বন্ধ করতে হবে। ...

পেটের মেদ কমায় যে ৫ খাবার।। পেটের মেদ কমানোর খাবার

ফুসফুস ভালো রাখে যেসব খাবার।। Foods that keep the lungs well

ফুসফুস ভালো রাখে যেসব খাবার।। Foods that keep the lungs well করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে। ফুসফুসে সংক্রমণ হলে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট, যার ফলে মৃত্যুও হতে পারে। তাই ফুসফুসকে সুস্থ রাখা জরুরি। মানবদেহের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থার অন্যতম অঙ্গ ফুসফুস। এদিকে ফুসফুস সুস্থ রাখার বিষয়ে খাবারের রয়েছে বিশেষ ভূমিকা। কী খেতে হবে? পুষ্টিবিদদের মতে, শাক-সবজি, আলু, পটল, কুমড়া-গাজর বেশি করে খান। (খোসা না ছাড়িয়ে তরকারি করে খেতে পারলে আরও ভাল। আটার রুটি, ব্রাউন রাইস, কিনোয়া, বার্লি ইত্যাদি খান। এতে ফুসফুসের ক্ষতি যেমন কম হবে, ওজন ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এছাড়া পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার ফুসফুসের জন্য ভালো। তাই সবুজ শাক, টমেটো, বিট, আলু, কলা খান নিয়মিত। আর প্রোটিনের জন্য মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, দই, ডাল, ছোলা ইত্যাদি। ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে দিনে ২ থেকে ৩ লিটার পানি অবশ্যই পান করতে হবে। যেসব খাবার খাবেন- কয়েকটি বিশেষ খাবার রয়েছে যা ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। (আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু খাবার সম্পর্কে- ১। পেঁয়াজ ও রসুন পেঁয়াজ ও রসুন প্রদাহের ...